মূলত চাঁই ভাঁষা রক্ষার্থে ও চাঁইদের সার্বিক উন্নতির লক্ষে আমরা এগিয়ে চলেছি। বর্তমানে চাঁই ভাঁষা বিলুপ্তির পথে। তাই বিলুপ্তপ্রায় চাঁই ভাষা ও সংস্কৃতি বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস।
Thursday, January 16, 2020
চাঁই সাহিত্য সভা
Wednesday, January 15, 2020
ছোট চাঁই ও বড় চাঁই (বড়চ্যাঁইয়া ও ছোরচ্যাঁইয়া)
বড়চ্যাঁইয়া ও ছোরচ্যাঁইয়া:
একসময় চাঁইদের মধ্যে দুটোভাগ বিদ্যমান ছিল, যা এখন আর নেই। একটিকে বলা হত বড়চ্যাঁইয়া, আর অন্যটি হল ছোরচ্যাঁইয়া। বর্তমান ঝাড়খন্ডের পাকুড় জেলার অন্তর্গত গোপীনাথপুর গ্রামে পুরোনো চাঁই মানুষদের সঙ্গে কথা বললেই তা একেবারে পরিস্কার হয়ে যায়। একসময় চাঁইদের মধ্যে দুটো শ্রেনী, বড়চ্যাঁইয়া ও ছোরচ্যাঁইয়া ছিল তা উপলব্ধি করতে হলে ফারাক্কার নিমশহরের পুরোনো চাঁইদের জানলেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়। একটা সময় হিন্দু সমাজের মধ্যে বিভিন্ন জটিলতা ছিল, ভেদাভেদ ছিল প্রবল। শুধু হিন্দু সমাজে নয়, মুসলিম সমাজেও সেইসময় বিভাজন ছিল। জোলাহা, পেঁচি, খোট্টা মুসলিম সমাজেও ছিল, আবার জোলাহা, খোট্টা হিন্দু সমাজেও ছিল। অতএব সেই সময় যে বিভাজন, ভেদাভেদ ছিল। মালদা বলে নয় ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে ভেদাভেদ ছিল। তাছাড়া ফারাক্কার নিমশহর মুর্শিদাবাদে অবস্থিত। যাইহোক, সেসব কাহিনী ইতিহাসের চ্যাপ্টারেই থাকুক। এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এখনও অনেক কাজ বাঁকি। চাঁইভাষা রক্ষার্থে চাঁই আন্দোলনকে জোরদার করতে হবে। সরকারের কাছে চাঁইভাষা একাদেমীর দাবী জোরদার করতে হবে, চাঁই আন্দোলন আরও জোরদার করতে হবে।
এখন আর এই ছোট চাঁই বা বড় চাঁই বা লাগর চাঁই এইগুলি কোনটাই নেই। সবাই চাঁই। একসময় হিন্দু জাতির মধ্যে যত ভেদাভেদ ছিল বর্তমানে তা নেই। এখন সবকিছুর সংমিশ্রন ঘটে চলেছে। একসময় রবিদাসদের মধ্যে দুটো শ্রেনী ছিল, একটি হচ্ছে চামার, অপরটি হচ্ছে জোলাহা। যা এখন অবলুপ্ত হয়েছে।
ছোট চাঁই বড় চাঁই মৌখিক ছিল। বেদও একদিন মৌখিক ছিল, পরে লিপিবদ্ধ করা হয়, অনেকটা সেইরকম। তবে জোলাহা জাতিটা মুসলিমদের মধ্যেও ছিল।
চাঁই জাতির মধ্যে বিভাজন কোনমতেই কাম্য নয়। ছোট চাই বা বড় চাঁই কোনটাই দরকার নেই। দরকার সকল চাঁই জাতির ঐক্যের। একসময় মালদার বড় চাঁই সংগঠন (পশ্চিমবঙ্গ বড় চাঁই কল্যাণ সমিতি) বা মুর্শিদাবাদের বড় চাঁই সংগঠন (বঙ্গীয় বড় চাঁই সমাজ কল্যান সমিতি) ছিল। বর্তমানে আমাদের বিভাজন নয় ঐক্য চাই এই নীতি আমাদের সকলেরই গ্রহণ করা উচিৎ বলে মনে করি।
আর হ্যাঁ, চাইদের বিভাজন সামাজিক না অর্থনৈতিক তা বলা একেবারেই ভুল হবে। চাঁইদের বিভাজনের কথা না বলে ঐক্যের কথা বলি। কোন ক্ষেত্রে মতানৈক্য থাকতেই পারে তা বলে, আমরা কেউই লক্ষ থেকে সরে দাঁড়াতে পারি না। লক্ষ আমাদের স্থির রাখতে হবে।
Sunday, October 13, 2019
চাঁই জাগরণ গ্রামে চলো কর্মসূচি
গত ১লা সেপ্টেম্বর 'অখিল ভারতীয় চাঁইসমাজ কল্যাণ পরিষদের' উদ্যোগে শুরু হয়েছে "গ্রামে গ্রামে চল" কর্মসূচী ও সদস্যকরন অভিযান। প্রথমে মালদা জেলার মানিকচক, রতুয়া ও হরিশচন্দ্রপুর ব্লকের অন্তর্গত প্রতন্ত্য চাঁই গ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পূর্ব পরিকল্পনা মত গত ১লা সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় চাঁইসমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যগণ পৌছে যান মানিকচকে। এই জন জাগরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন, অখিলভারতীয় চাঁইসমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি প্রফেসর বিজয় কুমার সরকার, উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ মাননীয় জয়রাম মন্ডল, উপস্থিত ছিলেন চাঁই সাহিত্যিক বরুন মন্ডল, উপস্থিত ছিলেন জয়রাম মন্ডল, নরেশ মন্ডল, মনোজ কুমার দাস, মিঠুন মন্ডল, রাজেশ মন্ডল, নরেন মন্ডল, রাজকুমার মন্ডল।
মানিকচকের লক্ষিকোল গ্রামের দিকে অগ্রসর হতেই দেখাদেয় রাস্তাঘাটের বেহাল দশা। মানিকচক থেকে লক্ষিকোল যাওয়ার জন্য কালিন্দ্রি নদীর উপর নেই কোন ব্রিজ। লক্ষীকোলবাসী স্বাধীনতার ৭২ বছর পরেও কোন উন্নয়নের মুখ দেখেননি। ভোট আসে ভোট যায়, নেতা-নেত্রীরা তাদের শুধুই আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই দেননি। অগত্যা আমাদের নৌকর মাধ্যম দিয়ে কালিন্দ্রি নদী পেরিয়ে টোটো ও পায়ে হেটে পৌছে যায় সেই লক্ষীকোল গ্রামে। গ্রামের মানুষদের অভাব অভিযোগের কথা শুনতে থাকি।
লক্ষীকোল গ্রাম পেরিয়ে পায়ে আকাবাকা মাঠের রাস্তা দিয়ে আমরা হরিপুর পৌছায়। হরিপুর গ্রামে যাওয়ার জন্য নেই কোন ভালো রাস্তা, পায়ে হাটা পথ পেরিয়ে আমরা হরিপুর গ্রামে পৌছে যাই। পুরো চাঁই গ্রাম, গ্রামের চারপাশে নদী-নালা-খাল-বিল। আমাদের গ্রামে পৌঁছাতেই গ্রামের মানুষ উৎসাহে ভরপুর। তারা তাদের সুখ-দুঃখের কথা আমাদের সঙ্গে বলতে থাকে। এই গ্রামের উন্নতি যে এতদিন হয়নি তা আমরা নিজের স্বচক্ষে দেখেছি তবুও সেখানকার মানুষ খুব মেহনতী অনেক বাড়িতেই শিক্ষিত লোক রয়েছেন অনেক কষ্ট করে তারা পড়াশোনা করেন। প্রাথমিক স্কুল, মাধ্যমিক স্কুল, উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল, প্রায় সবগুলি গ্রামের বাইরে। নেই কোন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, চিকিৎসার জন্য তাদের ছুটে যেতে হয় মালদা শহরে। তাদের জীবিকা প্রধানত কৃষিনির্ভর, প্রতিবছরই তারা বন্যার মুখোমুখি হন।
তারপর আমরা মথুরাপুর পৌছে যাই। বিশিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে চাই জনজীবন সম্পর্কে বৈঠক হয়।
Thursday, October 3, 2019
My Diary
অকাল বৃষ্টি
গৃষ্মের প্রখর রৌদ্র, কোথাও এক ফোটা বৃষ্টি নেই। প্রবল তাপের দাবদাহে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। মাঠের ফসল মাঠেই শুকিয়ে যাচ্ছে। ফাঁকা মাঠের মধ্যে রয়েছে একটি ছোট্ট গ্রাম। গ্রামের মানুষ আজ
গণিতে স্নাতক।
তারপর মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক।
অতঃপর বিখ্যাত ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সেস, ব্যাঙ্গালোর থেকে এ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
তারপর ডক্টরেট। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, বোম্বাই থেকে।
এমন তো কতই হয়! তাই না?
হ্যাঁ, এমন শিক্ষাজীবন এদেশে বহু মানুষেরই আছে। ছিল। ভবিষ্যতেও থাকবে।
কিন্তু যে মানুষটির কথা হচ্ছে, তিনি খানিক ব্যতিক্রমী।
তাঁর পরিবারে তিনিই প্রথম স্নাতক। এরপর মাদ্রাজ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়তে যাবার সময়ই পায়ে প্রথম জুতো পরতে পান ভদ্রলোক। তার আগে অব্দি খালিপদই ঘুরে বেড়িয়েছেন।
স্কুল শেষ করার পরপরই চেয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে। এক সপ্তাহ ভুখা অনশনও করেছিলেন এই নিয়ে। বাপের মন টলেনি।
"তুই যদি দূরের কলেজে পড়তে যাস, তবে চাষের মাঠ কি আমি একা সামলাবো? আর তোকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াতে গেলে আমাকে জমি বিক্কিরি করতে হয়। তুই কি চাস আমরা সবাই না খেতে পেয়ে মরি?" এই ছিল বাপের কথা।
এরপর আর কথা চলে না। ছেলেকে অতঃপর যুক্তি মেনে নিতেই হয়। সত্যিই তো, তাদের তো এই 'দিন আনি দিন খাই' অবস্থা। তাও আবার খরার দাপটে কোনও বছর ফসল ভালো না হলে তো আর কথাই নেই! বড় ক্লাসে ওর বয়সী ছেলেরা ফুলপ্যান্ট পরে আসত। ওকে কিনা বাপের পুরোনো ধুতি পরেই কাজ চালাতে হয়!
সেই বাপই অবশ্য মতবদল করলেন একসময়। ততদিনে গণিতে স্নাতক হওয়া গিয়েছে। বাড়ির কাছেই ছিল কলেজ। রোজ কলেজ যাওয়ার আগে আর পরে চাষের মাঠে বাপকে সাহায্য করতে হয়েছে। তাঁদের তো আর আলাদা করে মুনিশ রেখে চাষ করার সামর্থ্য নেই!
তবুও বাপের মন বদলেছে।
"যা হয় হোক। তুই যখন চাইছিস তো ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়েই পড়। জমি বিক্রি না হয় করেই দেব। তবে দেখ, তোকে কিন্তু চাকরি একটা জোগাড় করতেই হবে। চাষীর ছেলে গ্র্যাজুয়েট হয়েছিস। আমাদের চোদ্দপুরুষে যা কেউ হতে পারেনি। তোকে আর আটকাবো না।"
সেই প্রথম বড় শহরে গিয়ে পড়ল ছেলে। এবার পায়ে জুতো উঠল। ফুলপ্যান্টও।
কুড়িয়ে বাড়িয়ে গরীবের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হয়েই গেল! পরিবারে স্নাতকই কেউ ছিল না, তায় ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতকোত্তর!
অবশ্য জিদ থাকলে কি না হয়! জীবনে যখন যা চেয়েছেন, সঙ্গে সঙ্গে পাননি কোনওটিই। যা পেয়েছেন, যেটুকু পেয়েছেন, তাতেই জান লড়িয়ে দিয়েছেন। সাফল্য এসেছে। গরীব প্রান্তিক চাষীর ছেলের লড়াই কখনও ব্যর্থ হয়না। হয়নিও।
মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে পাস করার পর ভেবেছিলেন হ্যাল বা ন্যালে চাকরি জুটবে। জোটেনি। তার বদলে আইআইএস ব্যাঙ্গালোরে মাস্টার্স করার সুযোগ জোটে।
ইসরোয় চাকরি পেয়ে ভেবেছিলেন কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরির প্রকল্পে তাঁকে সামিল করা হবে। কিন্তু তাঁর ভাগ্যে জুটল বিক্রম সারাভাই সেন্টার।
তবে ঐ, যখন যে সুযোগ পেয়েছেন সেটিতেই পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন।
নেতৃত্ব দেওয়ার সহজাত ক্ষমতা ছিল। জীবনে কখনও কারো সাহায্যের মুখাপেক্ষী থাকেননি। পড়াশুনোয় কোনও প্রাইভেট ট্যুশনি, কোনও কোচিং নেওয়ার সামর্থ্য তাঁর ছিল না। তিনি চিরকালই বলতে গেলে একজন স্বশিক্ষিত মানুষ। কাজ করতে জানেন। কিভাবে সফল হতে হয়, তা তিনি ঠেকে শিখেছেন। দেরি হলে হবে, তবে তিনি জানেন, ধৈর্য্য ধরে পড়ে রইলে সাফল্য আসবে না এমন হতেই পারে না।
এই মানুষটি কে নিশ্চয় সকলে চিনে ফেলেছেন।
হ্যাঁ, গাঁয়ের চাষীর ছেলে তো! এত চেষ্টার পরেও চন্দ্রযান অভিযানের আশানুরূপ ফল না পেয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন ভদ্রলোক। আবেগ সাচ্চা মানুষেরই থাকে। কোনও এক দুর্বল মুহূর্তে হয়ত নিজেকে আর সামলাতে পারেননি তিনি। এত পরিশ্রম, এত সময়, এত অর্থ! এত প্রত্যাশা! তিনি এই ভারতের এক প্রান্তিক চাষীর সন্তান। এ সবের মূল্য তিনি বোঝেন।
হ্যাঁ, তিনি পুজো দেন। নিরীহ হিন্দুদের মতো মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন তিনি। জিহাদের নামে তো মানুষ কতল করেন না। বিজ্ঞানী হলেই যে নাস্তিক হতে হবে এমন কোনও নিয়ম তো নেই! মানুষের ধর্মবিশ্বাস তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর। এই নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ করার আগে আয়নায় নিজেদের মুখগুলো একবার দেখে নেওয়া ভালো। কত গাঁট, কত ঝুল! নিজেদের অর্জন নিজেরাই বিচার করলে মন্দ হয় না।
ডঃ কৈলাশাভাদিভু সিভান এই পবিত্র ভূমির এক আদর্শ সন্তান। তিনি আমাদের গর্ব। ব্যস, এইটুকুই বলার।
Supriti Santhal Maiti
সৌজন্যে এবং হিমু
কোনো মহাত্মা যদি নিজেকে চাঁই সম্প্রদায়ের নেতা মনে করেন, দয়া করে লিখুনঃ আমরা চাঁইয়েরা কোন পথে চলে সম্প্রদায় বা জাতিগোষ্ঠী হিসাবে উন্নত হতে পারব, আমাদের ভাষা-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য সংরক্ষিত হবে। নেতার কাজই তো হল আকাঙ্খিত গন্তব্যস্থলের দিকে সমর্থকদের নিয়ে যাওয়া ও সম্ভব হলে সেখানে পৌঁছে দেওয়া।
"গ্রামে গ্রামে চল" কর্মসূচী ও সদস্যকরন অভিযান। গত ১লা সেপ্টেম্বর 'অখিল ভারতীয় চাঁইসমাজ কল্যাণ পরিষদের' উদ্যোগে শুরু হয়েছে "গ্রামে গ্রামে চল" কর্মসূচী ও সদস্যকরন অভিযান। প্রথমে মালদা জেলার মানিকচক, রতুয়া ও হরিশচন্দ্রপুর ব্লকের অন্তর্গত প্রতন্ত্য চাঁই গ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পূর্ব পরিকল্পনা মত গত ১লা সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় চাঁইসমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যগণ পৌছে যান মানিকচকে। এই জন জাগরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন, অখিলভারতীয় চাঁইসমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি প্রফেসর বিজয় কুমার সরকার, উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ মাননীয় জয়রাম মন্ডল, উপস্থিত ছিলেন চাঁই সাহিত্যিক বরুন মন্ডল, উপস্থিত ছিলেন জয়রাম মন্ডল, নরেশ মন্ডল, মনোজ কুমার দাস, মিঠুন মন্ডল, রাজেশ মন্ডল, নরেন মন্ডল, রাজকুমার মন্ডল।
মানিকচকের লক্ষিকোল গ্রামের দিকে অগ্রসর হতেই দেখাদেয় রাস্তাঘাটের বেহাল দশা। মানিকচক থেকে লক্ষিকোল যাওয়ার জন্য কালিন্দ্রি নদীর উপর নেই কোন ব্রিজ। লক্ষীকোলবাসী স্বাধীনতার ৭২ বছর পরেও কোন উন্নয়নের মুখ দেখেননি। ভোট আসে ভোট যায়, নেতা-নেত্রীরা তাদের শুধুই আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই দেননি। অগত্যা আমাদের নৌকর মাধ্যম দিয়ে কালিন্দ্রি নদী পেরিয়ে টোটো ও পায়ে হেটে পৌছে যায় সেই লক্ষীকোল গ্রামে। গ্রামের মানুষদের অভাব অভিযোগের কথা শুনতে থাকি।
লক্ষীকোল গ্রাম পেরিয়ে পায়ে আকাবাকা মাঠের রাস্তা দিয়ে আমরা হরিপুর পৌছায়।
Professor Bijoy Kumar Sarkar
Ph.D., PG Dip. in Museum Studies
Director
Akshaya Kumar Maitreya Heritage Museum
Ex-Head, Department of History
Ex-Head, Department of Mass Communication University of North Bengal
Ex-Principal, D.N.C College
Member : International Council of Museum, Paris
Associate of South Asian Environmental Historians
Lifetime Member:-
The Asiatic Society, Kolkata
Indian History Congress, New Delhi
Paschim Banga Itihas Parishad, Kolkata
The Asiatic Society of Bangladesh, Dhaka
Bangladesh History Association, Dhaka
Itihas Academy, Jagannath University, Dhaka
Museum Association of India, New Delhi
North-East India History Association, Shillong
Institute of North-East Indian Studies, Kolkata
Indian Society of Greek Roman Studies, U.P
President:-
Akhil Bharatiya Chain Samaj Kalyan Parishad
অমৃত বাণী
অমৃত বচন : বিজয় কুমার সরকার
তুমি কখন প্রকৃত ধনী?
টাকাতেই শুধু মানুষ জীবনে ধনী হয় না। সরলতা, মায়া-মমতা, ভালবাসা, বন্ধুত্ব, আত্মীয়তা, পরিবার (বাবা-মা-ভাই-বোন, বৌদি ইত্যাদি) - এসব মিলেই আমাদের জীবন পরিপূর্ণ হয়॥
ভারতবাসীর মনস্তত্বের DNAতে আছে ধর্ম (ধারাণাদ্ধর্ম ইত্যাহু:ধর্মো ধারয়তে)।বস্তুবাদ,শ্রেণীসংগ্রাম,গুপ্ত সংখালঘুভোট-লোভ তা বুঝবে না।
কিছুজন আমাকে পাগল বলে,অপমান করে,উপহাস-হাসাহাসি করে।আমার বিবেক শুধু দেখবে,আমি আইনী-নৈতিক সঠিক পথে চলছি কি না।ঘেউ ঘেউ-এ কি যায় আসে!
টাকাকে চাকর করুন। আপনার টাকা আপনাকে,আপনজনকে, পরিচিতকে, দুঃস্থ অনাত্মীয়কে যেন সেবা করে। আপনি যেন আবার টাকার চাকর না হয়ে বসেন।
মানুষ খুব ধার্মিক! তবে স্বার্থপরতা,মানুষ-জীব-গাছের প্রতি উদাসীনতা, নারী-নির্যাতন-ধর্ষণ,দুর্নীতি বাড়ছে কেন,লালু-চিদম্বরম জেলে কেন?
ধর্মপালনে আপনার কৃতকর্ম লোকে দেখতে পেলে ওটা প্রকৃত ধর্ম নয়, show।মনের প্রার্থনা,জীবসেবা-উপকার করা,কারো ক্ষতি/ঘৃণা না করা ধর্ম
হিন্দু পুণ্যার্থী, রামায়ন-মহাভারত-গীতা কিনুন,প্রতিদিন সকালে পড়ুন,হিন্দু ধর্ম-দৃষ্টিভঙ্গি কি বুঝুন,জীবসেবা করুন।তারপর মন্দিরে যান।
টিউশনির পথে ছাত্রছাত্রীরা!বাড়ি ফিরে যাও।বই কেন,সকাল,বিকেল, সন্ধ্যে- অন্ততঃ দুঘন্টা করে পড়॥ জ্ঞান থাকলে তোমাকে কেউ আটকাতে পারবেনা।
বিয়ে করে সুখ-সাফল্য চাও?শুধু চেহারা,প্রাপ্তি না দেখে ১-৩বছরের ছোট/বড়,তোমার চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান মেয়েকে বিয়ে কর। তাকে সম্মান দাও।
ছেলেমেয়ে পড়ছে না।টাকা আছে?বাপ-মার পছন্দের বই কিনুন। টিভি-আড্ডা X. সন্তানের পড়ার সময়ে ভালো না লাগলেও বাপমা যতটুকু সময় সম্ভব পড়ুন।
নেতা হবে? আগে সৎভাবে মোটামুটি উপার্জন কর।কর্মী হও;নিঃস্বার্থভাবে দলমতনির্বিশেষে জনগণকে সাহায্য কর।দল করে কামাবে?২ নম্বরী নেতা ধর।
Tuesday, May 28, 2019
29-05-2019
ভাড্ডা= শেষ
অ্যানচাহাল দুখকে বাত= তিক্ত অভিজ্ঞতা
খুরপা = ঘাস মারার যন্ত্র বিশেষ
দ্যাওলি = ঘাস নিড়ানোর যন্ত্র বিশেষ
তিড়কাহা = রাগি
ৱ্যাছ্যাই = ছন্নছাড়া
বেরবাদ = ছন্নছাড়া
কাজিয়া / ঝ্যাগড়া = ঝগড়া
জীবজন্তুর নাম
উট-উট
মুশা-ইদুর
কুমহির-কুমির
কুত্তা-কুকুর
কুত্তি-কুকুরী
ক্যাছুয়া-কচ্ছপ
খ্যারগোশ-খরগোশ
খিক্কির-খেকশিয়াল
গোরু-গরু
গাই-গাভী
গাধ্ধা-গাধা
গিদ্যার-শৃগাল
ঘোড়া-ঘোড়া
চুলিহ্যা-শুশুক
ছুঁচা-ছুচো
জানুয়ার-পশু
নীলগাই-নীলগাই
ব্যাখরি-ছাগল
খ্যাস্সি-খাসি
বোকা-পাঁঠা
বছরু-বাছুর
ব্যাইল-বলদ
বান্যর-বাদর
বিজ্জি-বেজি
বিল্লী-বিড়াল
বাঘ-বাঘ
ভাল্লুক-ভালুক
ভ্যঁইশ-মহিষ
ভেঁড়া-ভেড়া
ভেঁড়ি-ভেড়ি
মুর্গা-মোরগ
মুর্গী-স্ত্রী মোরগ
শুবুচনি-টিকটিকি
শুয়্যার-শুকর
ম্যাইনা = ময়না
কাওয়া= কাক
ঝুসকি = সূর্যাস্তের আগে/ সূর্যাস্তের পরে
ভিয়ান = সকাল
দুপ্প্যাহ্যার = দুপুর
ভাটিবেলা = বিকেল
বেলা ডুব্যকে স্যম্যয় = গোধুলি
সাঁইচ = সন্ধ্যা
রাত = রাত্রি
দুপ্প্যাহ্যার রাত= রাত্রি বারটার পর
সুবুজ= সবুজ
টাকটাকিয়া= টকটকে
বেগণি= বেগুনী
আসমানী= আকাশী
খ্যারভুসসা= খসখসে
উজরা= সাদা
ক্যারিয়া= কালো
হ্যালদা= হলুদ
স্যাবুজ= সবুজ
লাল= লাল
লীল = নীল
বেগনী= বেগুনী
গুলাবী = গোলাপী
ব্যাদামী= বাদামী
ধুসড়া= ধুসর
অ্যাকাশী = আকাশী
খ্যায়রী= খয়েরী
সোমবার = সোমবার
ম্যঙ্গলবার = মঙ্গলবার
বুতবার/ বুথবার = বুধবার
বিশোতবার/ গুরুবার = বৃহস্পতিবার
শুক্ক্যারবার= শুক্রবার
শ্যনিবার= শনিবার
রোপবার/ রোববার= রবিবার
ব্যাইশাক = বৈশাখ
জেঠ = জৈষ্ঠ
আষাঢ় = আষাড়
শাওন = শ্রাবন
ভাদো = ভাদ্র
আশিন = আশ্বিন
কাতিক = কার্ত্তিক
অগ্ঘ্যান = অগ্রাহন
পুষ = পুষ
মাগ = মাঘ
ফাগুন = ফাল্গুন
চ্যাইত = চৈত্র
গিল্লা = নরম
ক্যাঠুয়া =
জ্যলসানি = স্যাঁতস্যাঁতে
শুকখা = শুকনো
ঢ্যলঢ্যালিয়া = ধিলে
চিড় = ফাটল
পেড় = গাছ
সুরুয = সূর্য
চাঁইম্যা আমকে নাম - কুঁয়াপাহাড়ি,সিনুহুরিয়া,মোচাহা,বিন্দাবোনি,গোপালখাস,ক্ষিরসাপতি,----আইসনা, ল্যাখনা, গুট্ঠী, ক্যাল্যাম, ফ্যাজলী, খির্সাপ্যাত্তি, গোপালভোগ, আড়াঁজ্যান্ম্যা, কাঁচমিট্ঠা, সিনুরিয়া, নেংড়া।নেংড়া,ল্যাখনা,গুটঠি ক্যাল্যাম বা ফ্যাজলি অ্যাসনা ফানিয়া গোপালভোগ খিরসাপ্যাত্তি
ক্লান্ত = থ্যাকান/ থ্যাক্কি
Monday, April 29, 2019
29.04.2019
আজু = আজ , ঘ্যারম্যা = ঘরে , ঠোরুয়া = ঠোট , র্যাঙাইলে = রঞ্জিত করলে , কেক্যার = কার , সিরে = ভাগ্যে / জন্য , য্যাউব্যানা ভ্যারি = ভরা যৌবন , ঢালবে = ঢেলে দেবে , হ্যায়ু = আছে , ছােটকা = ছােট , ন্যান দোসিয়া = নন্দাই , চোলীয়া = চোলী / ঘাগরা , উড়াইলে = উড়িয়ে দিলে , গােড়ায়া = গােড় / পা , এতে = এত , সাজ্যান = সাজসজ্জা , উছল্যাইলে = উচ্ছল করলে ,
কোশা = এক ক্রোশ , গেলে = গেল , তেশরা = তৃতীয় , য্যামুনা = যমুনা , চ্যালিরে = চলে , সােনেকে সােনার , ঘায়েলিয়া = ঘড়া ( কলসি ) , রূপেকে = রূপার , গ্যাডােলিয়া = গাডু ( ছােট জল পাত্র বিশেষ ) , ন্যাদীয়াকে = নদীর , আব্যায় = আসছে , লাহুর্যাঙাল = রক্তরাঙা , বাশিয়া = বাঁশি , ব্যাজ্যাব্যায় = বাজাচ্ছে , ব্যান্ধন = বন্ধন , আগাবে = তুলে দিচ্ছে , হ্যামারা = আমার , আঁচলওয়া = অচল , মাের ঘ্যারা = আমার ঘরে , ব্যালক্যাবা = বালক ( ছেলে ) , রােহা = কাদছে , বালক্যা = বালককে , চুপ্যাত্যায় = চুপ করাবে , তােহার = তােমার , হ্যাউগে = আছে গেলাে ( গে সম্বােধনে ) , শ্বাশু = শ্বাশুড়ী , নানাদিয়া = ননদ , ওহ্যা = ওরাই , তােরা = তােমার , আঁচ্যাল T = আঁচলকে , স্যাক্কা = সন্ধ্যা , ব্যাহ্যাব্যায় = বয়ে যাচ্ছে , আঁখােকা = চোখের , অহ্যারিয়া = ওয়া অন্ধকার ,
অনাকুন = আনব , অ্যানারােকে = ডালিমের , পাত = পাতা , লিখ্যাবুন = লিখব , অ্যাপানাে হাত = নিজের হাতে , ভেজাবুন = পাঠাব , ক্যালাক্যাতিয়া = কোলকাতা , আঁখিয়া = চোখে , নিনােরে নাহি = ঘুম নেই , কিয়া দোষা = কোন দোষে , পিয়াবা = প্রিয়তম , ছােড়িয়া = ছেড়ে , বাংলা = বহির্কক্ষ / বৈঠকঘর , বােঢ়িয়ে বােঢ়ি = ঝাট দিতে দিতে , লিহারু = দেখি , কোহিরে = কেউ , নাহি দেলা = দিল না , দিশারিয়া = দেখা , কাহে = কেন , হামরা = আমাকে
আটা অ্যাইলে পুছায় = ধর্মোপাসক ব্যক্তি সাগ্রহে জিজ্ঞাসা করে / জানতে চায় , ( আটা = অগ্রহ / মনঃসংযােগ , আউল = দৈবশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি / ধর্মোপাসক ব্যক্তি , পুছ্যায় = জিজ্ঞাসা করে । ) ব্যাহেদেহী = বহিদেবী / অগ্নিদেব , ( এখানে অগ্নিকে দেবীরূপে কল্পনা করা হয়েছে । ) বাটা = বাট , বাটা আউল = ধর্মোপাসক গৃহস্থী , ক্যাউনে = কে , প্যারাওলা = পরিয়ে দিল , ছিটা = জামা , ক্যাউনা বাসনা = কেমন বর্ণের , তােহার = তােমার , ঘোঁড়িয়া = ঘােড়া , আসাব্যারা = আসবার ( ফারসী শব্দ ) সওয়ার আরােহী , লিলি = লিলি ফুল , সূরু = সূর্য , পাহেরি = পরিধান করে , বাহারা ভেলায় = ত্রে হ ’ ল , মারে - ছিট্টা = ছটা দিচ্ছে , ন্যাম্মা কেশা = লম্বা চুল , ভাগি গেলায় = পালিয়ে গল , হাদিয়া = ভয় পেয়ে , হেরিয়ে = দেখে , ম্যাৎ হাদিয়াব্যা = ভয় পেও না , হ্যাম্মারি = আমার , ৩াগতিয়া = পলায়মান ব্যক্তি , হ্যাম্মাহি = আমি , দিহ্যাউ = দিচ্ছি , প্যারাবােধা = প্রবােধ / সান্ত্বনা , * অ্যাপনা = আপন , তােহারা = তােমার , স্যাভে = সকলে , কাহেরে = কেন , ভাগ্যায় = পালিয়ে যায়
জগৎ + নাথ = জগন্নাথ , চাই বাষায় জ্যাগ্যার নাথ । ঠোনা শব্দের অর্থ “ ঠোকনা ” / গালে বা কপালে আঙ্গুলের আঘাত । জ্যাগার ঠোনা = যে জগতের সকলের ঠোকনা খায় , অর্থাৎ খুব তুচ্ছ ব্যক্তি । বরকে ঠাট্টার ছলে একথা বলা হয়েছে । ) ভুল্যায় = ভুলে যাচ্ছে , পাত্তা = পতা / তঁত গাছ ( এর পাতা গুটি পােকাকে খাওয়ানাে হয় ) , চ্যাবড়া = বহির্কক্ষের উঠান , ক্যাক্কা = কাকা , হ্যাল = লাঙ্গল , ব্যাহ্যাইতে = চাষ করতে , অ্যাম্মা = মা , ব্যাহিন = বােন , চ্যার্যাইতে = চরাতে , দাদো = দাদু / পিতামহ , দাদী = দিদিমা / পিতামহী
থ্যারিয়া = থালা , ছ্যাটাং = ছটাক , গিলাস = গেলাস , তােলাকে = তােলার , ন্যায় - জালাউ = ছিল না , স্যার্যাম = সরম , গ্যারাম = গরম
ইব্যারকে = এই বরকে , দেখলু = দেখলাম , হ্যাম্মা = আমি , পােরলা = পটল , খােদ্যাইতে = খুড়তে , সেহােবারা = সেইবর , অ্যাঙেনাহি = আঙ্গিনাতে , ঠারি = দাঁড়িয়ে আছে
থাহে = ৪ গাে , কাহা = কোথায় , তাই = তুমি , ১ার = অবয়ান বর ৫ , ( তবে = ( তামান , ব্যাইিন = বােন , যােগী হলে ( ল - ( যাগী । নয় নিয়ে , হাহ্য ন ( t , মা , মারো - মেরো না , মাতু কাটো = ( কটা না , আইসান = এমন , হ্যামরা = আমাকে , ( যােগ ) শ্যারা = ( যাগী গরে , বাসা - বাস , মাথাকেরা = মাথার , সাতে সায় = সাত সার , হাৱাে = হার , মুখাকে = মুখের , ব্যাচ্যান = কথা , কামিন সিনুরা - মােটা সিদুর
অ্যামা মাহুয়া = আম মহুয়া ( গাছ ) , তালে = কাছে , ঝাল্যারি = ঝালর যুক্ত , গুয়াবা = সুপারী , হ্যাউল্যাহি = ধীরে , ব্যাহ্যায় = বইছে , ব্যাতাস = বাতাস , ত্যাহি ত্যাগ্লে = তার নীচে , ব্যাইস্যাল্যায় = বসেছে , দোনােরে স্যাধিয়া = বেয়াই দুজনে , জুয়া না খেলায় পেঁচাশে = জুয়ার পেচ খলছে , ক্যাউন রাইয়া = কোন রাজা , হারাতা = হারছে , জিতালা = জিতল , মাঙায় = চাহে , জিত্যাউড়ী = জেতা দ্রব্য , হারাক্যায় = হারল , জিত্যালায় = জিতল , লােহা = বর , থ্যারিয়া = থালা , লােটা = ঘটি , ধিয়ারী = মেয়ে , ক্যাইস্যান = কেমন , শাকিয়া = মেঝে , শশাহানা = শােভাবর্ধক , তঁাহু = তুমি , য্যাইবে = যাবে , প্যারা ঘ্যারা = পরের স , ক্যাক্কিা = কাকা , বাছিরে ব্যাকেনা = বকনা বাছুর , ভ্যাতেজি = ভাইঝি , থুজাকে । গর , হােবে = হবে , প্যারা ঘ্যারী = পরের ঘরের লােক , ভ্যাহয়া - ৩ ঘাটাকে = রাস্তার
বােঢ়ানিয়া = সােনার বঁটা , শির্যাউনা = শিরানা / শিয়র , শুতিহ্যান = শুয়ে থাকবে / শােবে , অ্যাঙনা = আঙ্গিনা , ভালুগে = ভাল করে , বােহ্যাড়ি হ্যান = ঝাট দিবে , বাঢ়িয়ে সােঢ়িয়ে = ঝাটটাট দিয়ে , দূর্যা = দূরে , কুরুয়া = আবর্জনা , ল্যাগ্যাইহ্যান = লাগিয়ে দিবে , ল্যাগি য্যাত্যাও = লেগে যাবে , অ্যাগে = ওরে , ক্যাদ্যামা = কদম্ব , জোড়ি = জুড়ে , হঁাহিয়া = ছায়া
আটা কোঠালুয়া = আটটি ঘর , যােলাহি দুয়ারিয়া = ষােলটি দরজা , দীপা জ্বারায়ে = দীপ জ্বালিয়ে দিবে , কেক্যারা ম্যাহালা = কার মহল , সােনারা = স্বর্ণকার , গ্যাঢ়ায়ে = গড়িয়ে দিয়েছ , খ্যাগুরা মাহালা = শ্বশুরের মহল , ব্যারাব্যার = বরাবর , বেতা = বেত , হ্যানায়ে = হেনেছ , কিয়ে শুনে = কোন গুন দিয়ে , শুনলেরে = গুনান্বিত করলে রে , ব্যাভানা = ব্রাহ্মণ , বাবাসে = বাবা থেকে , তাহলে = ছাড়িয়ে দিলে , শাশুরা সে = শ্বশুরের সঙ্গে , মিল্যাইলে = মিলিয়ে দিলে , কেতে কান্যান কত কান্না কাদবে , ল্যাগ্যাইবে = লাগাবে , ফাট্যায় = ফেটে যাচ্ছে , মােরা = আমার , শল / ব্যথা , ( ব্যথা দিচ্ছে ) , জাঙা = কোল , ব্যাইসলে = বসলে , ভ্যাইয়া মুহা = ভাইয়ের র - দেখলে , খ্যাসালাউ = খসে পড়ল , ম্যায় = আমার , লােরা = লাের / অশ্রু , সােনেকে শেল্যায়ে = মুখ , হেরাইয়ে = দেখলে



































